সিনিয়র-জুনিয়র মিলিয়ে বেশ ভালো দল ভবানীপুরের


শেষ তিন-চার বছর ধরে কলকাতা ক্লাব ক্রিকেটে অনবদ্য পারফরমেন্স করে আসছে ভবানীপুর ক্লাব। শেষবার লিগ চ্যাম্পিয়নশিপ তারা জিতেছে কালীঘাট ক্লাবকে হারিয়ে। তার আগেরবার জে. সি মুখার্জী ট্রফিতে তারা হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন।
গতবারের মতো এবারও প্রায় একইরকম দল রেখেছে ভবানীপুর ক্লাব। কোচ হিসেবে আব্দুল মোনায়েম তো থাকছেনই, সঙ্গে এবার তেরোতম মরশুম ভবানীপুর ক্লাবের জার্সিতে খেলতে চলেছেন অভিষেক দাস। গতবারের মতো এবারও দলে রয়েছেন অভিষেক রমণ, কৌশিক ঘোষ, সন্দীপন দাস। স্পিনার হিসেবে প্রদীপ্ত প্রামানিক, আমির গনি এবং বলকেশ যাদব থেকে গিয়েছেন। পেসার হিসেবে থাকছেন রবিকান্ত সিং, অর্ক সরকার এবং দুর্গেশ দুবে। উইকেটকিপার হিসেবে অগ্নিভ পান না থাকায় এবার থেকে গেলেন অমিত সাঁতরা।


অলরাউন্ডার হিসেবে দলে ফিরেছেন প্রাক্তন ভবানীপুর অধিনায়ক ঋত্বিক চ্যাটার্জী। একসময় দলকে প্রায় একার হাতে ট্রফি দেওয়া খেলোয়াড়ের ওপর নিশ্চয়ই ভরসা রাখবে ভবানীপুর ক্লাব। কিপার হিসেবে অগ্নিভ পানের না থাকা পূরণ করতে ভবানীপুর এবার সই করিয়েছে ঝোড়ো ব্যাটার-কিপার বিবেক সিংকে। মোহনবাগান ছেড়ে ভবানীপুর আসার কারণ হিসেবে বিবেক সিং বললেন ” মোহনবাগান ছেড়ে ভবানীপুর আসার কারণ আমি বলবো ভালো অফার। এছাড়াও মোটামুটি সমান বয়সী সবাই এই ক্লাবে আছি, সবাই একসাথে খেলবো এই লক্ষ্যেই আসা। মোহনবাগান ক্লাবের সাথে কোনো সমস্যা নেই আমার।”
ক্লাবের সঙ্গে তেরো নম্বর মরশুম অভিষেক দাসের। উইলোর উইলকে দেওয়া ইন্টারভিউতে অভিষেক দাস বললেন “এখানে পরিবেশ খুব ভালো। আব্দুলদা নিজে আছেন, সবাইকে নিয়ে চলেন উনি। এখানে অনেক জুনিয়র ক্রিকেটার থাকে। আসল ব্যাপারটা হলো ড্রেসিংরুম। যেটা আমরা সবসময় শুনে আসছি যে ড্রেসিংরুম প্লেয়ারের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ সেটা এখানে খুবই ভালো।”
যদিও আজ সই করেননি, তবুও এই বছর ভবানীপুর ক্লাবেই থাকছেন অভিষেক রমণ। রমণ বললেন “ক্লাবে শেষ দুটো বছর খুব উপভোগ করেছি। এছাড়াও বেশ কিছু ট্রফিও পেয়েছি আমরা। আমাদের লক্ষ্য এইবার আরো কিছু ট্রফি জেতা।”
এছাড়াও পেসার হিসেবে ক্লাবে রয়েছেন বিশ্বজিৎ মিশ্র। সব মিলিয়ে সিনিয়র জুনিয়র ব্যালান্স খুব ভালোভাবে তৈরী করে দল তৈরী করেছে ভবানীপুর।